
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতে সরাসরি সামরিক বিজয়ের চেয়ে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করার কৌশল নিয়েছে ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে এবং জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোকে ঝুঁকির মুখে ফেলে প্রতিপক্ষকে অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে চাপে রাখাই তেহরানের লক্ষ্য।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) বর্তমানে সামরিক কৌশল নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির পরও এই বাহিনী যুদ্ধ পরিচালনায় সক্রিয় রয়েছে এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনা ও সরবরাহপথকে ঝুঁকিতে ফেললে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এই সংঘাতকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে রূপ দিতে পারে। একই সঙ্গে দেশটির অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যেও অর্থনীতি সচল রাখার চেষ্টা এবং জনসমর্থন ধরে রাখার কৌশলও নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।