ঢাকা | |

সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে বিতর্ক, মন্ত্রীর বক্তব্যে উদ্বেগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 21, 2026 ইং
যানবাহনে চাঁদাবাজিপ্রতীকী ছবি ক্যাপশন: যানবাহনে চাঁদাবাজিপ্রতীকী ছবি
ad728

সড়কে যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতার লেনদেন’ হিসেবে ব্যাখ্যা করে পরিবহনমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এ ধরনের ব্যাখ্যা অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডকে পরোক্ষভাবে স্বাভাবিক করে তোলার ঝুঁকি তৈরি করে।

সমালোচকদের মতে, চাঁদাবাজিকে কোনোভাবে বৈধতা দেওয়া হলে তা শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং অন্যান্য সেবা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—রাষ্ট্রীয় সেবা, উন্নয়ন প্রকল্প বা আর্থিক খাতে একই ধরনের ‘সমঝোতা’ সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে কীভাবে?

গবেষণা ও বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, সড়ক-মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং দুর্বল নজরদারির সুযোগে একটি অনিয়মের চক্র গড়ে উঠেছে। এর প্রভাবে শুধু চাঁদাবাজিই নয়, সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যান্য বিশৃঙ্খলাও বাড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে জবাবদিহির অভাব দেখা যায়।

সমালোচকরা মনে করছেন, সরকার দুর্নীতিবিরোধী যে অঙ্গীকার করেছে, তার সঙ্গে এ ধরনের বক্তব্য সাংঘর্ষিক। তাই বিষয়টি স্পষ্ট করা এবং প্রয়োজনীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় জনমনে বিভ্রান্তি ও আস্থাহীনতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়ক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে হলে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, স্বচ্ছ তদারকি এবং আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছা ছাড়া এ সমস্যা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান সম্ভব নয়।

কমেন্ট বক্স

নিউজলেটার

নিউজ আপডেট পিতে সাবস্ক্রাব করুন।