ঢাকা | |

ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স পৌঁছেছে দুই বিলিয়ন ডলারে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 20, 2026 ইং
ছবি: সংগৃহীত ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত
ad728

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে প্রবাসীদের বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৮ দিনেই দেশে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন ও রমজানকে কেন্দ্র করে পরিবারের অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। রেমিট্যান্স প্রবাহের এ বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা ৩১৭ কোটি বা ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা। একক মাস হিসেবে এটি দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলার এসেছিল গত বছরের মার্চে, মূলত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলার।

চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়— জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

এদিকে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ১৫৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের ওই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার।

রিজার্ভ পরিস্থিতি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির পেছনে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বাড়া, অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম কমে আসা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কমেন্ট বক্স

নিউজলেটার

নিউজ আপডেট পিতে সাবস্ক্রাব করুন।